Sunday , 24 September 2017

Home » ধর্ম » ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিতর্কে ফায়দা কার?

ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিতর্কে ফায়দা কার?

July 10, 2015 2:57 am by: Category: ধর্ম Leave a comment A+ / A-

Newspaper Hosting

ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিতর্কধর্ম ডেস্ক॥ লতিফ সিদ্দিকীর পর আবদুল গাফফার চৌধুরী। ইসলাম ধর্ম নিয়ে তাদের সাম্প্রতিক বিতর্কিত মন্তব্য এবং এর প্রতিক্রিয়া স্বতস্ফূর্ত নয়; এর পেছনে রাজনীতি আছে বলে মনে করেন ইমলামপন্থী এবং প্রগতিশীলরা। তবে কারা রাজনীতি করছে ধর্ম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে? এ নিয়েও রয়েছে দোষারোপের রাজনীতি। ইসলামপন্থী কেউ কেউ মনে করেন সরকার চলমান রাজনীতি থেকে অন্যদিকে দৃষ্টি ফেরাতে এসবে ইন্ধন দিচ্ছে। আর প্রগতিশীলরা মনে করে এসব মন্তব্য নিয়ে কিছু ইসলাম পন্থী রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠী নতুন ইস্যু তৈরি করে ফায়দা লুটতে চায়।

বিদেশের মাটিতে ইসলাম ধর্ম নিয়ে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করে সাবেক টেলিযোগাযোগমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী মন্ত্রীত্ব হারিয়েছেন, বহিস্কৃত হয়েছেন দল থেকে। ৮মাস পরে বহিস্কারের ওই চিঠি মঙ্গলবার স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর কাছে পৌঁছেছে । তারমানে, তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে সব মামলায় জামিন নিয়ে তিনি এখন কারামুক্ত।

অন্যদিকে সর্বশেষ কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরীও আছেন তোপের মুখে। প্রবাসী এই কলামিস্ট গত সপ্তাহে দেশের বাইরে আল্লাহর নাম নিয়ে ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করে বিপাকে আছেন। এই দু’জনকেই কতলের হুমকি দিয়েছে কতিপয় ইসলাম পন্থী।

তবে বিষয়গুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে সাধারণ চোখে দেখছেন না ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের প্রধান আব্দুল লতিফ নেজামি। তিনি বলেন,‘ ইসলামের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক যে ষড়যন্ত্র চলছে তারই অংশ হিসেবে তারা দু’জনই কাজ করেছেন। তারা বুঝে শুনেই এটা করছেন।’ তিনি দাবী করেন, ‘এর আগে সালমান রুশদী এবং তসলিমা নাসরিন যা করেছেন এটা তারই ধারাবাহিকতা।’

লতিফ নেজামি দাবি করেন, ‘এখানে সরকারেরও হাত থাকতে পারে। সরকার হয়তো চাইছে এইসব ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে রাজনৈতিক সংকট থেকে দেশের মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে। আর সেকারণেই সরকার ব্যবস্থা না নিয়ে ইস্যুটাকে জিইয়ে রাখছে। যারা এসব করছে তার একটি বিশেষ দলের অনুসারী।’ তবে তিনি মনে করেন, ‘সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপও থাকতে পারে। যে কারণে সরকার ইসলামের অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে পারছে না।’ তিনি বলেন, ‘কিন্তু এই নাস্তিকদের ছাড় দেয়া হবে না। তাদের শাস্তি পেতেই হবে।’

আর গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র এবং ব্লগার ডা. ইমরান এইচ সরকার মনে করেন, ‘এই ইস্যু নিয়ে একটি গোষ্ঠী মাঠ ঘোলা করে ফায়দা লুটতে চাইছে। তারা দেশে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে সুবিধা নিতে চাইছে।’

তিনি বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকী বা গাফফার চৌধুরী দেশের বাইরে কি বলেছেন, কেন বলেছেন বা কোন পরিবেশে বলেছেন তা বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা কেউই নাস্তিক নন। তারা মুসলিম। তাদের ঘরোয়া আলাপ বা আড্ডার কথাকে ইস্যু হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তারা যদি ইসলামের জন্য অবমাননাকর কিছু বলে থাকেন তার নিন্দা সবাই করবে। আইনে কোন ব্যবস্থা থাকলে তাও নেয়া যেতে পারে। কিন্তু তাদের হত্যার হুমকি দেয়া বা এনিয়ে উগ্র পরিস্থিতি সৃষ্টি করা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘এই গোষ্ঠীটি একটা ইস্যু পেলেই প্রতিপক্ষকে নাস্তিক বলে হত্যার হুমকি দেয়, বিচারের দাবিতে মাঠে নামে। এটা তাদের রাজনীতি। এর নেপথ্যে বড় ইন্ধনদাতা আছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারে উচিৎ যারা এইসব ইস্যু নিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। কিন্তু সরকার রাজনৈতিক কারণে তাদের সঙ্গে আপোষ করে আসছে।’

ইসলাম ধর্ম নিয়ে বিতর্কে ফায়দা কার? Reviewed by on . ধর্ম ডেস্ক॥ লতিফ সিদ্দিকীর পর আবদুল গাফফার চৌধুরী। ইসলাম ধর্ম নিয়ে তাদের সাম্প্রতিক বিতর্কিত মন্তব্য এবং এর প্রতিক্রিয়া স্বতস্ফূর্ত নয়; এর পেছনে রাজনীতি আছে বলে ধর্ম ডেস্ক॥ লতিফ সিদ্দিকীর পর আবদুল গাফফার চৌধুরী। ইসলাম ধর্ম নিয়ে তাদের সাম্প্রতিক বিতর্কিত মন্তব্য এবং এর প্রতিক্রিয়া স্বতস্ফূর্ত নয়; এর পেছনে রাজনীতি আছে বলে Rating: 0

Ready Made Affiliate Marketing Website



Leave a Comment

*

Ready Made Online Newspaper Website
scroll to top

Facebook